চাঁদপুর জেলার অন্তৰ্গত কচুয়া থানার ২ নং পাথৈর ইউনিয়নের গবরখোলা নামক গ্রামে, এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা জনাব শামসুল হক প্রধান ছিলেন একজন ব্যবসায়ী মা মিসেস মিলন হক একজন গৃহিনী। ৭ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি সপ্তম।
গ্রামের বারৈয়ারা স্কুল থেকে প্রাথমিক, দাউদকান্দি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা-ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বার্মিংহ্যাম সিটি ইউনিভার্সিটি ( সিঙ্গাপুর ব্রাঞ্চ) থেকে স্নাতক এবং ম্যাকুয়ারী ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া থেকে স্নাতোকত্তোর অর্জন করেন
ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে পরিলক্ষিত হয় সংস্কৃতির প্রতি উৎকর্ষতা আর নেতৃত্বের গুণাবলী, স্রোতে গা ভাসিয়ে না দিয়ে, স্রোতের বিপরীতে সত্যের পক্ষে পরিবর্তনের দৃঢ় পদক্ষেপে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ; দুরন্ত আর দুঃসাহসী এই স্বপ্নবাজ তরুণ রাজনীতিবিদ।
তিনি বলেন- আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের একজন কর্মী; এটাই আমার পরিচয়”
তিনি একজন তরুণ , উদ্যমী, এবং দূরদর্শী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, প্রথম দিন থেকেই পরিবর্তন ও অগ্রগতির উদ্দীপনা নিয়ে কচুয়ার রাজনৈতিক দৃশ্যে আবির্ভূত হন। তিনি বলেন – “শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, চাই পরিবর্তনের রাজনীতি; চাই জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্প্রীতিমূলক, ন্যায়বিচারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে- মেধা, মননশীলতা, রাজনৈতিক দক্ষতা ও বিশ্বস্ততার ভিত্তিতে।”
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের সাথে তার মূল্যবোধকে সামঞ্জস্য রেখে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতন্ত্রের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেন, দায়িত্ব পালন করেন কিছু ইউনিটে।
পেশায় ব্যবসায়ী এই রাজনীতিবিদ তার রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, এবং সামাজিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সকলের জন্য একটি মানবিক, আদর্শিক কচুয়া গঠনে পরিবর্তনের পক্ষে অটল রয়েছেন। নেতৃত্ব এবং সমর্থনের ক্ষেত্রে তার বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি বহুল ভাবে সমাদৃত।
তারেক রহমানের ৩১ দফার মূলনীতি
মুক্তিযুদ্ধ, ন্যায়বিচার আর সম্প্রীতি
“কোন প্রলোভন কিংবা উস্কানিতে বিভ্রান্ত না হয়ে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজের নেতৃত্বদানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখুন।”
– তারেক রহমান।
বিএনপি মনে করে বাংলাদেশের জনগণ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল আজ সে রাষ্ট্রের মালিকানা তাদের হাতে নেই। তাই দেশের জনগনের হাতেই দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায় বিএনপি।
জাতির সকল অংশ তথা ধর্মীয়, আঞ্চলিক ও নৃ-গোষ্ঠীগত পরিচয় এবং নারী পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণী ও গোষ্ঠীর মানুষকে নিয়ে একটি সুসংহত জাতি গঠন করাই বিএনপি’র লক্ষ্য।
বিএনপি দুর্নীতির সাথে কোন আপস করবে না। সমাজের সর্বস্তরে দুষ্টক্ষতের মত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির রাশ টেনে ধরার জন্য পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অখন্ডতা সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও সমর-সম্ভারে সুসজ্জিত, সুসংগঠিত, যুগোপযোগী এবং সর্বোচ্চ দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলা হবে।
একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অখন্ডতা সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও সমর-সম্ভারে সুসজ্জিত, সুসংগঠিত, যুগোপযোগী এবং সর্বোচ্চ দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলা হবে।
বিএনপি দুর্নীতির সাথে কোন আপস করবে না। সমাজের সর্বস্তরে দুষ্টক্ষতের মত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির রাশ টেনে ধরার জন্য পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
জাতির সকল অংশ তথা ধর্মীয়, আঞ্চলিক ও নৃ-গোষ্ঠীগত পরিচয় এবং নারী পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণী ও গোষ্ঠীর মানুষকে নিয়ে একটি সুসংহত জাতি গঠন করাই বিএনপি’র লক্ষ্য।
বিএনপি মনে করে বাংলাদেশের জনগণ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল আজ সে রাষ্ট্রের মালিকানা তাদের হাতে নেই। তাই দেশের জনগনের হাতেই দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায় বিএনপি।
© ২০২৪ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন প্রস্তুতকারী আব্দুল্লাহ আল নাঈম